বাকেরগঞ্জের ইউনিয়ন পরিষদগুলো হলো- চরাদি, দাড়িয়াল, দুধল, ফরিদপুর, কবাই, নলুয়া, কলসকাঠি, গারুরিয়া, ভরপাশা, বঙ্গশ্রী ও পাদ্রিশিবপুর। উদয়পুরের ইউনিয়ন পরিষদগুলো হলো- সাতলা, জল্লা, শোলক ও বড়াকোঠা। মুলাদীর ইউনিয়ন পরিষদগুলো হলো- মুলাদী, নাজিরপুর, কাজীর চর ও চরকালেখান।
রবিবার (৯ আগস্ট) বরিশাল জেলা প্রশাসকের স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক উপমা ফারিশা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগ দেওয়া হয়। ১৯টি ইউনিয়ন পরিষদে বিভিন্ন সরকারি দফতরের কর্মকর্তাদের দায়িত্ব বণ্টন করে দেওয়া হয়েছে।
বাকেরগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিল্টন চন্দ্র পাল, উজিরপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী সুজা ও মুলাদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম সারয়ার জানান, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ (সংশোধিত ২০২৪) অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদের জনসেবা ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে মেয়াদ শেষ হওয়া ১১ ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তারা আরও জানান, নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসকরা দায়িত্ব পালনকালে ইউনিয়ন পরিষদের দৈনন্দিন প্রশাসনিক কার্যক্রম, জনসেবা ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদের নিয়মিত কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের পাশাপাশি অন্যান্য সেবামূলক কার্যক্রম যাতে নির্বিঘ্নে পরিচালিত হয়, সে লক্ষ্যেই এ নিয়োগ কার্যকর করা হয়েছে। তবে উপজেলার চরামদ্দি, দুর্গাপাশা ও নিয়ামতি ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ শেষ না হওয়ায় চেয়ারম্যানরা তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
দুই উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাদের প্রত্যাশা, ১৯টি ইউনিয়নে প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে পরিষদের কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে এবং স্থানীয় জনগণের নাগরিক সেবা অব্যাহত থাকবে।