বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সন্ত্রাসবিরোধী আইনে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি, নাশকতা, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের অভিযোগে এসব মামলা করা হয়েছে।
মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, বুধবারের সংঘর্ষের ঘটনায় মিরপুর মডেল থানায় তিনটি এবং কাফরুল থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। মিরপুর মডেল থানার তিন মামলার দুটির বাদী পুলিশ এবং অপর মামলাটি করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। অন্যদিকে, কাফরুল থানায় দায়ের করা মামলাটিও করেছে ডিএনসিসি।
যেভাবে সংঘর্ষের সূত্রপাত
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে হোপ মার্কেটের দিকে ফুটপাতের অবৈধ দখল উচ্ছেদে অভিযান শুরু করে ডিএনসিসি। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলীর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছিল।
অভিযানের একপর্যায়ে হোপ মার্কেটসংলগ্ন বায়তুল কুদ্দুস জামে মসজিদ মার্কেটের নিচে থাকা ভাসমান দোকান সরানোর সময় ভেকুর আঘাতে বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে আগুন ধরে যায়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে হকার ও দোকানিরা সিটি করপোরেশনের কর্মীদের ওপর হামলা চালালে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে হকারদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কয়েক রাউন্ড কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। এতে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।
পুলিশ জানিয়েছে, বিশৃঙ্খলা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।