মন্ত্রী বলেন, উদ্বোধনের দিন তৃতীয় টার্মিনাল দিয়ে ২০টি উড়োজাহাজ চলাচল করবে। তবে উদ্বোধনের পরবর্তী ৫ থেকে ৬ মাসের মধ্যে টার্মিনালটি পুরোপুরি চালু করা হবে।
তিনি আরও জানান, তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনার আয় থেকে বাংলাদেশের অংশ হবে ২৭ শতাংশ। এ ছাড়া গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের ৫০ শতাংশ কাজ করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
এর আগে গত ৩০ আগস্ট জাতীয় সংসদে মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, তৃতীয় টার্মিনাল চালুর নামে আগের সরকার একটি ভবন উদ্বোধন করেছিল। তবে তখন এর অভ্যন্তরীণ গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সম্পন্ন হয়নি। টার্মিনালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করতে আরও ৯০২ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে বলেও তিনি জানান।
২০১৭ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করে। প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ২১ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা। ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে এর নির্মাণকাজ শুরু হয়। প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে সরকার প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে এবং বাকি অর্থ জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) থেকে ঋণ হিসেবে নেওয়া হয়েছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর তৃতীয় টার্মিনালের আংশিক উদ্বোধন করা হয়। সে সময় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) জানিয়েছিল, ২০২৪ সালের মধ্যে টার্মিনালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হবে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা সম্ভব হয়নি।
নতুন টার্মিনালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের যাত্রী ও উড়োজাহাজ পরিচালনার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।