নতুন এই নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিভিন্ন পাবলিক প্লেস যেমন— শপিং সেন্টার, হাসপাতাল এবং অন্যান্য প্রকাশ্য স্থানে নারী ও পুরুষদের জন্য যে আলাদা টয়লেট এবং চেঞ্জিং রুমের ব্যবস্থা রয়েছে, তা কেবলমাত্র জন্মগত বা ‘বায়োলজিক্যাল’ নারী ও পুরুষরাই ব্যবহার করতে পারবেন। যারা জন্মসূত্রে নারী নন কিন্তু পরবর্তীতে হিজড়া বা ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে রূপান্তরিত হয়েছেন, তারা নারীদের জন্য নির্ধারিত সাধারণ টয়লেট ব্যবহার করতে পারবেন না। তবে তাদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, তারা চাইলে আলাদা কোনো তৃতীয় টয়লেট, ইউনিসেক্স (উভয়লিঙ্গ) টয়লেট কিংবা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য সংরক্ষিত ওয়াশরুমগুলো ব্যবহার করতে পারবেন।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, সমতা আইনের একটি ঐতিহাসিক মামলার ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ রায়ের ওপর ভিত্তি করেই মূলত এই নতুন গাইডেন্সটি প্রস্তুত করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের সেই রায়ে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, দেশের সমতা বা ইকুয়ালিটি আইনে ‘নারী’ শব্দটির অর্থ শুধুমাত্র জন্মগত বা ‘বায়োলজিক্যাল’ নারীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে।
এদিকে এই নতুন নির্দেশিকা প্রসঙ্গে যুক্তরাজ্যের নারী ও সমতা বিষয়ক বর্তমান মন্ত্রী ব্রিজেট ফিলিপসন তাঁর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি জানান, সরকার এই মুহূর্তে পুরো গাইডেন্সটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করে দেখছে। যদি এতে বড় কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন না পড়ে, তবে নির্ধারিত সময়ের পর এটি আইন হিসেবেই পাস হবে। তবে মন্ত্রী একই সাথে এই বিষয়েও জোর দেন যে, আইন যাই হোক না কেন, যুক্তরাজ্যের প্রতিটি নাগরিকের সমঅধিকার নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।