একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করেছেন, এই যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলারের বেশি পৌঁছাতে পারে।
সোমবার (৩০ মার্চ) কায়রোতে অনুষ্ঠিত ‘ইজিপ্ট এনার্জি শো-২০২৬’ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। সিসি জানান, তিনি ট্রাম্পকে সরাসরি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, “এ অঞ্চলে যুদ্ধ থামাতে আপনিই পারবেন। দয়া করে, এই যুদ্ধ বন্ধে উদ্যোগ নিন।”
তিনি বলেন, চলমান সংঘাত ইতোমধ্যে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে জ্বালানি উৎপাদন কেন্দ্র বা তেল শোধনাগারে হামলা হলে এর প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে গভীরভাবে পড়বে।
বাজার বিশ্লেষকদের উদ্ধৃতি দিয়ে সিসি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।
এছাড়া বৈশ্বিক খাদ্য সরবরাহ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। সিসি বলেন, সার রপ্তানিতে বিঘ্ন ঘটলে খাদ্যের দাম আরও বেড়ে যাবে। এতে উন্নত দেশগুলো পরিস্থিতি সামাল দিতে পারলেও দুর্বল অর্থনীতির দেশগুলো মারাত্মক চাপে পড়বে।
উল্লেখ্য, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি)ভুক্ত দেশ—সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, ওমান ও বাহরাইন—সম্প্রতি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে পড়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বে তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স