শনিবার (১৬ মে) লোক ভবনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ১০ মে বিজয়ের সঙ্গে শপথ নেওয়া মন্ত্রী পরিষদের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর সুপারিশ করা দফতর বণ্টন অনুমোদন করেছেন রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকার।
দফতর বণ্টন অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের অধীনে থাকবে জন প্রশাসন, আইএএস, আইপিএস, আইএফএস, জেলা রাজস্ব কর্মকর্তা, পুলিশ, স্বরাষ্ট্র, বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়ন, নারী ও শিশু কল্যাণ, প্রবীণ ও প্রতিবন্ধী কল্যাণ, পৌর প্রশাসন, নগর উন্নয়ন ও পানি সরবরাহসহ বিভিন্ন দফতর।
দলের দীর্ঘদিনের সংগঠক এন ‘বাসি’ আনন্দকে গ্রামীণ উন্নয়ন ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তার অধীনে থাকবে পঞ্চায়েত, দারিদ্র্য বিমোচন, গ্রামীণ ঋণ ও সেচ সংক্রান্ত বিষয়। টিভিকের অন্যতম প্রচার ব্যবস্থাপক আধাভ অর্জুনাকে দেওয়া হয়েছে গণপূর্ত ও ক্রীড়া উন্নয়ন মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে রয়েছে ভবন, মহাসড়ক ও ছোট বন্দর। সাবেক আইআরএস কর্মকর্তা ড. কে জি অরুণরাজ পেয়েছেন স্বাস্থ্য, চিকিৎসা শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
দীর্ঘ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সেনগোট্টাইয়ানকে অর্থ, পেনশন ও পেনশন ভাতা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন সরকারের অভিজ্ঞ মুখ হিসেবে তাকে গুরুত্বপূর্ণ এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
পি ভেঙ্কটরামাননের অধীনে থাকবে খাদ্য ও সরবরাহ, ভোক্তা সুরক্ষা ও মূল্য নিয়ন্ত্রণ মন্ত্রণালয়। আর আর নির্মলকুমারকে দেওয়া হয়েছে জ্বালানি সম্পদ ও আইন মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে বিদ্যুৎ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, আদালত, কারাগার, দুর্নীতি দমন, বিধানসভা, নির্বাচন ও পাসপোর্ট সংক্রান্ত বিষয়ও রয়েছে।
ডিজিটাল প্রচারণায় পরিচিত মুখ রাজমোহনকে স্কুল শিক্ষা, তামিল উন্নয়ন, তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তার দফতরে প্রত্নতত্ত্ব, তামিল ভাষা ও সংস্কৃতি, চলচ্চিত্র প্রযুক্তি এবং সিনেমাটোগ্রাফ আইনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ড. টি কে প্রভুকে প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তার অধীনে থাকবে খনিজ ও খনি। আর এস কীর্তনাকে দেওয়া হয়েছে শিল্প ও বিনিয়োগ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়।
দফতর বণ্টনে বিজয় একদিকে নিজের হাতে নিয়ন্ত্রণমূলক মন্ত্রণালয় রেখেছেন, অন্যদিকে অর্থের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাত অভিজ্ঞ নেতার হাতে তুলে দিয়েছেন। একই সঙ্গে দলের তরুণ মুখগুলোকেও উন্নয়ন ও নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দফতর দেওয়া হয়েছে।