কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরা-র বরাতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে অনেকেই বিভিন্ন বিস্ফোরণ ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে হাসপাতালে পৌঁছেছেন।
এদিকে, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্কবার্তার পর জেরুজালেমে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপি জানায়, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের বিষয় শনাক্ত করার কয়েক মিনিটের মধ্যেই ওই বিস্ফোরণের শব্দ তাদের সংবাদকর্মীরা শুনেছেন। সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, তারা ওই হুমকি প্রতিহত করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
ইরানও পরিস্থিতি নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর ‘খাতাম আল আম্বিয়া’ কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাগারি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব সক্ষমতা ব্যবহার করা হবে। তিনি আরও দাবি করেন, ইরান বুদ্ধিমত্তা ও শক্তির মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করছে এবং এ অঞ্চলে বাইরের কোনো দেশের হস্তক্ষেপের অধিকার নেই।
ইরানের আধা-সরকারি ফারস নিউজ-র বরাতে জানা গেছে, ইরাকের এরবিলে ‘ব্যাপক হামলা’ চালিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-ধফরা বিমানঘাঁটি এবং সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান ঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন সেনা ও যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
জোলফাগারি আরও বলেন, ইসরায়েলের তেল আবিব, হাইফা, আশকেলন ও গুশ দান এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর আচরণকে ‘প্রতারণামূলক’ আখ্যা দিয়ে দাবি করেছেন, এমন পদক্ষেপের মাধ্যমে তাদের যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বিচ্যুত করা যাবে না। বরং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল শেষ পর্যন্ত পিছু হটতে বাধ্য হবে।
তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা, এএফপি, ফারস নিউজ