সূত্রে জানা গেছে, দায়িত্ব ছাড়ার পর প্রথম দিকে ফখরুদ্দীন আহমদ দেশে অবস্থান করলেও ২০০৯ সালের মে মাসে সংসদীয় কমিটির তলবের খবর প্রকাশের পর তিনি পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। বর্তমানে তিনি মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের পটোম্যাক এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। সেখানে তার দুটি বাড়ি রয়েছে—একটিতে নিজে বসবাস করেন এবং অন্যটিতে তার মেয়ের পরিবার। দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকলেও তিনি প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে খুব বেশি সম্পৃক্ত নন।
অন্যদিকে, সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদ ২০০৯ সালের মাঝামাঝিতে অবসর নেন এবং একই বছরের ১৪ জুন যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। প্রথমে ফ্লোরিডায় পরিবারের সঙ্গে ছিলেন, পরে ‘মালটিপল মাইলোমা’ ক্যানসার ধরা পড়ে। বর্তমানে তিনি ফ্লোরিডার পামবিচ এলাকায় অবস্থান করছেন এবং অসুস্থতার কারণে অনেকটাই নির্জন জীবনযাপন করছেন। ঘনিষ্ঠজন ছাড়া কারও সঙ্গে তার খুব বেশি যোগাযোগ নেই।
উল্লেখ্য, ‘ওয়ান-ইলেভেন’ পরবর্তী সময়ে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে ঘিরে নানা বিতর্ক থাকলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বেশিরভাগই বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।