আজ শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ৩টার দিকে ভোলার দৌলতখান উপজেলার মেঘনা নদীর মিজানের চরে ভাসতে থাকা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এর আগে গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ভোলার খাল মাছঘাট সংলগ্ন মেঘনার তীরে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে গিয়ে তীর ধসে নিখোঁজ হন তিনি।
ভোলার মির্জাকালু নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সনাতন চন্দ্র সরকার তার মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জেলে ও স্থানীয়রা চরে মরদেহটি দেখতে পেয়ে নৌ পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন। মরদেহটি মেঘনা নদীতে নিখোঁজ হওয়া বিজিবি সদস্য আমজাদের বলে চিহ্নিত করেছেন তার পরিবার। আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
উল্লেখ্য, গত বুধবার সন্ধ্যায় আমজাদ, তার বন্ধু রাকিব, ফাহিম ও সাগর ও শাওনসহ মোট ৫বন্ধু মেঘনা নদীর তীরে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। আড্ডার একপর্যায়ে নদী তীর সুরক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বসানো জিওব্যাগসহ তীরের একাংশ হঠাৎ নদীতে ধসে পড়ে। এতে ৫বন্ধুই খরস্রোতা নদীতে পড়ে যান। তাদের মধ্যে ৩জন সাঁতার কেটে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও আমজাদ ও রাকিব নদীতে নিখোঁজ হন। উদ্ধার হওয়া ৩জনের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন, তবে তারা ব্যর্থ হন।
পরবর্তীতে নিখোঁজদের সন্ধ্যানে ভোলা সদর উপজেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড, সদর মডেল থানা পুলিশ ও নৌপুলিশের সমন্বয়ে উদ্ধার অভিযান চালানো হলেও তাদেরকে পাওয়া যায়নি। এরপর গতকাল শুক্রবার সকালে ভাসমান অবস্থায় লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলা সংলগ্ন মেঘনা নদীর তীর থেকে রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করেন সেখানকার নৌ পুলিশ। সর্বশেষ আজ শনিবার ভোলার দৌলতখান উপজেলা থেকে বিজিবি সদস্য আমজাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।