এই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ১৯৯৯ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নেয় বাংলাদেশ। সেই আসরেই পাকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে চমক সৃষ্টি করে দলটি। এরপর ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ, যেখানে নেতৃত্বে ছিলেন নাঈমুর রহমান দুর্জয়। এর মধ্য দিয়ে পূর্ণ সদস্য হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে টাইগারদের।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালে, যা দেশের ক্রিকেটের সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে তোলে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নিজেদের শক্তিশালী দল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা এবং ঘরের মাঠে ভারত, পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজ জয়—এসব অর্জন দলটির সক্ষমতার প্রমাণ।
বর্তমানে ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ একটি সমীহজাগানিয়া দল হিসেবে বিবেচিত হলেও টেস্ট ক্রিকেটে এখনও ধারাবাহিকতার অভাব স্পষ্ট। একইসঙ্গে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে আরও আক্রমণাত্মক ও স্থিতিশীল পারফরম্যান্সের প্রয়োজনীয়তাও রয়েছে।
২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি এবং বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক সিরিজকে সামনে রেখে প্রত্যাশা থাকলেও আশানুরূপ সাফল্য পায়নি বাংলাদেশ। ফলে ভবিষ্যতে বড় আসরগুলোতে ভালো করতে হলে দলকে আরও পরিণত ও ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখাতে হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।