সমাবেশে খালিদ সাইফুল্লাহ জুয়েল বলেন, নির্বাচনের মাত্র ১০০ দিনের মধ্যেই সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছেন তারা। জনগণ আশা করেছিল নতুন সরকার তাদের প্রত্যাশা পূরণ করবে। কিন্তু সরকার সেই প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, এর আগে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ও হরমুজ প্রণালীর সংকটের কারণে তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়টি মেনে নেওয়া হয়েছিল।
কিন্তু বর্তমানে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুদ থাকার পরও দাম বাড়ানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার সংস্কারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে এবং ধারাবাহিকভাবে গণবিরোধী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। খালিদ সাইফুল্লাহ জুয়েল আরও বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। খেটে খাওয়া মানুষের জীবনযাত্রা দিন দিন আরও কঠিন হয়ে উঠছে।
পরিস্থিতির পরিবর্তন না হলে প্রয়োজন হলে আবারও গণ-অভ্যুত্থানের ডাক দেওয়া হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। যুগ্ম সমন্বয়কারী মুনির আজাদ বলেন, রাতের অন্ধকারে তেলের দাম বাড়িয়ে সরকার অতীতের স্বৈরাচারী সরকারের মতো আচরণ করছে। বিশ্ববাজারের পরিস্থিতিকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে জনগণের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়ে আবারও রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। জেলা যুবশক্তির মুখ্য সংগঠক সোহানুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে যুবশক্তির কেন্দ্রীয় নেতা বায়োজিদ হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। উল্লেখ্য, এক মাসের ব্যবধানে আবারও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করেছে সরকার। নতুন ঘোষণায় প্রতি লিটার অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম ৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে।
তবে ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা এবং অকটেন ১৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।