সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি মার্কিন নীতিকে “ভুল পরামর্শনির্ভর” বলে উল্লেখ করেন। তার মতে, ইরানের তেল রপ্তানি বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা বাস্তবে বিশ্ববাজারে উল্টো প্রভাব ফেলছে।
গালিবাফ আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপের পর প্রথম তিন দিনেও ইরানের কোনো তেলক্ষেত্র বা জ্বালানি অবকাঠামোতে বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। তিনি লিখেন, “তিন দিন পেরিয়ে গেছে, কোনো তেলকূপ বিস্ফোরিত হয়নি। চাইলে ৩০ দিনও চালিয়ে যেতে পারে, আমরা সরাসরি সম্প্রচার দেখাতে পারি।”
তিনি মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট-এর দিকেও সমালোচনা করেন। গালিবাফের অভিযোগ, তার মতো ব্যক্তিদের ভুল নীতির কারণে ইতোমধ্যেই তেলের দাম ১২০ ডলারের ওপরে উঠেছে এবং ভবিষ্যতে তা ১৪০ ডলারে পৌঁছাতে পারে।
এছাড়া তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ কৌশলকে “ভুল চিন্তাধারার ফল” বলে মন্তব্য করেন এবং বলেন, এসব পদক্ষেপ ইরানকে দুর্বল করার বদলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফক্স নিউজে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, ইরানের তেল পরিবহন বাধাগ্রস্ত হলে পাইপলাইনে অভ্যন্তরীণ চাপ তৈরি হয়ে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটতে পারে এবং অবকাঠামো স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
তবে গালিবাফ এসব মন্তব্যকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।