এএফএ-র আইনি উপদেষ্টা আন্দ্রেস পাতোন উরিচ ফিফার দেওয়া শাস্তির যৌক্তিকতা নিয়ে কঠোর প্রশ্ন তুলেছেন। ডি স্পোর্টস রেডিওকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বেশ কিছু আন্তর্জাতিক নজির উপস্থাপন করে আর্জেন্টিনার অবস্থান স্পষ্ট করেন, ২০১৪ বিশ্বকাপে ইতালির জর্জিও কিয়েল্লিনিকে কামড়ে দেওয়ার অপরাধে উরুগুয়ের তারকা লুইস সুয়ারেজকে ৯ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। পাতোন উরিচের মতে, মাঠের অনাকাঙ্ক্ষিত হাতাহাতির জন্য লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে ১০ ম্যাচের শাস্তি দেওয়া একেবারেই অযৌক্তিক।
ইউরোপের এক ফুটবলার চরম বিতর্কিত নাৎসি প্রতীক প্রদর্শন করে ১০ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছিলেন। সেই একই অপরাধের স্কেলে পারেদেস ও মলিনার মতো খেলোয়াড়দের ফেলা হয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করে এএফএ।
২০১৮ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে সহকারী রেফারিকে গালাগাল করায় লিওনেল মেসিকে প্রথমে ৪ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলেও পরবর্তীতে আপিল কমিশন তা সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করেছিল।
পারেদেসের পাশাপাশি নাহুয়েল মলিনাকেও ৭ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে ফিফা। তাঁকেও ৯০ হাজার ডলার জরিমানা করা হয়েছে। আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবের্তো আয়ালা পেয়েছেন ৩ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা ও ৩০ হাজার ডলার জরিমানা। তবে থিয়াগো আলমাদার ১ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন এএফএর আইনি উপদেষ্টা। ফলে পারেদেস, মলিনা ও আয়ালার শাস্তি কমানোর দিকেই মূলত নজর দিচ্ছে সংস্থাটি।
এএফএ এখন ফিফার সিদ্ধান্তের পূর্ণাঙ্গ কারণ জানতে চাইবে। এরপর প্রমাণ ও আইনি যুক্তি দিয়ে আপিল করা হবে। আপিল কমিশনও যদি শাস্তি বহাল রাখে, তাহলে কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টসে (সিএএস) যাওয়ার কথাও ভাবছে আর্জেন্টিনা।