আজ বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণ করতে যাওয়া ২২ ফেডারেশনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে একটি সভা করেন। সেই সভার পর বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের মহাসচিব জোবায়েদুর রহমান রানা বলেন, ‘সংকট সমাধানের পথে। নাম পরিবর্তন ও অন্তর্ভুক্তির যে বিষয়টি ছিল, সেটা অলিম্পিক কাউন্সিল অব এশিয়া (ওসিএ) এখন ইতিবাচক ভাবে দেখছে। আমাদের সম্মানিত সভাপতি মহোদয় তাদের সঙ্গে আলোচনার পরই এটি হচ্ছে। আমরা ওসিএ’তে আবার তালিকা আবার প্রেরণ করব, আশা করছি হয়ে যাবে।’
অনেক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক-সভাপতি পরিবর্তন হয়েছে। ফলে নতুন দায়িত্বে আসা কর্মকর্তারা গেমসের ম্যানেজার-দলনেতা হওয়ার আবেদন করেছেন। আগের কমিটিতে থাকা ব্যক্তিদের কার্ড অবশ্য হয়েছিল। বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের মহাসচিব ও গেমসের শেফ দ্য মিশনের সঙ্গে ফেডারেশন কর্তাদের একাধিক বৈঠকে সমাধান হয়নি উল্টো উত্তপ্ততা ছড়িয়েছে।
গেমসে সাধারণত কার্ডই ভিসা। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ কন্টিনজেন্টের কার্ড আয়োজকরা প্রেরণ করেছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন সেই কার্ড বুঝে পাওয়ার কথা। নতুন অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডের অবস্থা সম্পর্কে মহাসচিবের বলেন, ‘ওসিএ কার্ডের বিষয়টি দেখবে। তারা কিছু দিন পর এখানে পাঠাবে নাকি ওখানে গিয়ে নিতে হবে। কি করতে হবে সেটা তারাই নির্দেশনা দেবে। আমরা পাসপোর্ট, ছবি, প্রয়োজনীয় যা দরকার তাদের প্রেরণ করব।’
জাতীয় হকি দলের সাবেক অধিনায়ক রাসেল মাহমুদ জিমি, পুষ্কর ক্ষিসা মিমো দলে অনেক পরে ঢুকেছেন। কোচ পিটারসহ আরও অনেকে কার্ড জটিলতায় রয়েছেন। এই সমস্যা সমাধান হলে তারা গেমসে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এই সংকট সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছেন।
গেমস শুরু হতে মাত্র এক মাস। দশটির বেশি ডিসিপ্লিনের অনুশীলন এখনও শুরু হয়নি। অনেক খেলার অবকাঠামো ও নানা সমস্যা। আজকের সভায় অনেক ফেডারেশন তাদের সমস্যা নিয়েও আলোচনা করেছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক দৌলতুজ্জামান খান প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।