রবিবার (২৪ মে) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন মিতা কম্পিউটার দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত নাছিমা বেগম চরজুবলী ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য। ভুক্তভোগী কহিনুর বেগম একই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জয়নাল সর্দার বাড়ির জয়াল আবেদীনের মেয়ে।
কহিনুর বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমার স্বামী ক্যান্সার আক্রান্ত। এক মেয়ে অসুস্থ হয়ে কিছু দিন আগে মারা যায়। আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে গরীব ও দুস্থ মানুষের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণের কথা শুনে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ মন্জুরুল আলমের কাছে একটি কার্ডের জন্য যাই। তিনি আমাকে ইউনিয়ন পরিষদে থাকতে বলে বাড়িতে চলে যান। পরে আমি ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন কম্পিউটার দোকানের সামনে গিয়ে বলি মন্জুরুল মেম্বার আমাকে একটি চালের স্লিপ দেয়নি। ভোট আসলে তারা বাড়ি গিয়ে খালা-মা ডাকে। তাদেরকে ভোট আসলে আর ভোট দিবনা। তখন নারী ইউপি সদস্য কম্পিউটার দোকানের পিছনে বসা ছিল। আমি তাকে দেখিনি। পরে নারী ইউপি সদস্য নাছিমা বেগম কম্পিউটার দোকানের পিছন থেকে বের হয়ে আমাকে জুতা দিয়ে মারধর করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে নাছিমা বেগম বলেন,ওই নারী খারাপ আচরণ করেছেন। আমার বোরকা ধরে টানাটানি করলে আমি তাকে সরিয়ে দিই। জুতা হাতে নিয়েছি, জুতাপেটার কোনো ঘটনা ঘটেনি।
চরজুবলী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো.ইব্রাহিম খলিল বলেন, ওই নারী আমার ইউনিয়নের বাসিন্দা নয়, আমি তাকে চিনিনা। তিনি চাল বিতরণের সময় এসে বেজায় গালমন্দ করেন। বাজারে কি গন্ডগোল হয়েছে। পরে আমি বিষয়টি শুনেছি।
সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকিব ওসমান বলেন, এ রকম একটি বিষয় শুনেছি। ওই নারীর পরিচয় এখনো পুরোপুরি শনাক্ত করা যায়নি। পরিচয় শনাক্ত করে অভিযোগ নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।