ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চেঞ্জডটওআরজিতে ওই পিটিশন চালু করেছেন গিসেলা সানচেজ নামে এক ফুটবলভক্ত। যেখানে তারা ফিফার কাছে স্লোভেনিয়ান রেফারি স্লাভকো ভিনচিসের পারফরম্যান্স এবং ভিএআরের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি তোলা হয়েছে।
এই ক্যাম্পেইনের উদ্যোক্তার দাবি– ম্যাচটির গতিপ্রকৃতি প্রভাবিত করার মতো রেফারিং হয়েছিল। এ ছাড়া তিনি কিছু অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন, যদিও তিনি এ বিষয়ে কোনো যাচাইকৃত প্রমাণ উপস্থাপন করেননি এবং বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে পুরো বিষয়টি পর্যালোচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন। যদিও এমন আবেদনের কোনো আনুষ্ঠানিক বা বিধিবদ্ধ বৈধতা নেই এবং কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিযোগিতার ফলাফল পরিবর্তন করতে বাধ্য করার ক্ষমতা নেই।
খেলা পুনরায় আয়োজন কেবল তখনই সম্ভব, যখন ক্রীড়া-সংক্রান্ত বিধিমালার আওতায় কোনো ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি তৈরি হয় অথবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। আর্জেন্টিনার এই উদ্যোগটি ২০২৬ বিশ্বকাপ চলাকালে সামনে আসা অন্যান্য প্রতিবাদেরই একটি অংশ। এর আগে ফ্রান্সে ৮২০০০–এরও বেশি স্বাক্ষরসহ একটি ডিজিটাল ক্যাম্পেইনে দাবি করা হয়েছিল, স্পেন যে পেনাল্টি থেকে গোল করে এগিয়ে গিয়েছিল তার ঠিক আগের একটি ঘটনার জেরে স্পেনের বিপক্ষে সেমিফাইনাল ম্যাচটি পুনরায় খেলা হোক। তবে তাদের সেই আবেদনের ফলাফল শূন্য!
প্রসঙ্গত, ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত ফাইনালের অতিরিক্ত সময়ে ফেররান তোরেসের গোলে স্পেন চ্যাম্পিয়ন হয়। এর পরই হাজার হাজার আর্জেন্টাইন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রাস্তায় নেমে আসেন। ফাইনালে ওঠা এবং টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছায় তারা লিওনেল মেসিদের প্রতি সমর্থন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ ছাড়া বুয়েন্স আয়ার্সে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের মতো ঘটনাও ঘটে।