দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে দলীয় রাজনীতি ও আন্দোলনে সক্রিয় এই নেত্রী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নীতি ও আদর্শের প্রতি নিজের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
১৯৮৭ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাধ্যমে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সূচনা। ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়ে হামলার শিকার হন তিনি। পরবর্তী সময়ে মহানগর ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি খুলনা মহানগর মহিলা দলের সভাপতি (২০২২–২০২৫), মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য (২০২১–২০২৫) এবং জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-যুগ্ম সম্পাদকসহ একাধিক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ছাত্রজীবনে পাইওনিয়ার সরকারি মহিলা কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ও ভিপি এবং খুলনা মহানগর ছাত্রদলের সহসভাপতি ছিলেন।
২০১২ সালে সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় গ্রেপ্তার হয়ে কারাবরণ করেন তিনি। এ ছাড়া ২০১৮ ও ২০২৩ সালে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের হয়, যা দীর্ঘদিন বিচারাধীন ছিল। আন্দোলনে সক্রিয় থাকার কারণে তিনি একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছেন বলেও জানান।
শিক্ষাজীবনে তিনি দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএড ও বিএড ডিগ্রি অর্জন করেন এবং সরকারি বিএল কলেজ থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি করোনেশন মাধ্যমিক বিদ্যানিকেতনে শিক্ষকতা করছেন এবং বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদে শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
রাজনীতির পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও যুক্ত। তিনি খুলনা শিশু হাসপাতালের এডহক কমিটির সদস্য এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির খুলনা সিটি ইউনিটের সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য ও আজীবন সদস্য।
আজিজা খানম এলিজা বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত হলে নারীর কার্যকর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা, শিক্ষা ও নিরাপত্তা জোরদার এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নকে অগ্রাধিকার দেবেন। দলীয় অঙ্গনে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও সক্রিয় ভূমিকার কারণে তাঁর প্রার্থিতা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।