২০০৪ সালের জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত নারী আসন) নির্বাচন আইন অনুযায়ী, সাধারণ আসনের আনুপাতিক ভিত্তিতে নারী আসন বণ্টন করা হয়। বর্তমানে সংসদের মোট কার্যকর আসন সংখ্যা ২৯৭। চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফল স্থগিত এবং শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ায় এই সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিএনপি ২০৯টি আসন এবং জোটসঙ্গী দলগুলো তিনটি আসন পাওয়ায় বিএনপি জোটের মোট আসন দাঁড়িয়েছে ২১২। এই হিসাবে তারা প্রায় ৩৫ দশমিক ৬৯টি নারী আসনের সমান ভাগ পায়, যা আইন অনুযায়ী পূর্ণসংখ্যা ধরে ৩৬টি আসন হিসেবে গণ্য হবে।
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসন এবং জোটসঙ্গী দলগুলোর আসনসহ মোট প্রায় ৭১টি আসন হলে তাদের প্রাপ্য দাঁড়ায় প্রায় ১১ দশমিক ৯৫টি নারী আসন। ফলে তারা প্রায় ১২টি আসন পেতে পারে। এনসিপি আলাদাভাবে থাকলে তাদের ভাগে একটি আসন পড়তে পারে।
স্বতন্ত্র সাত এমপি যদি নিজেদের মধ্যে জোট গঠন করেন, তবে তারা একটি নারী আসন পেতে পারেন। তবে তারা জোট না করলে বা কোনো দলে যোগ দিলে তাদের প্রাপ্য আসনটি সর্বাধিক আসন পাওয়া দল—বিএনপির ঝুলিতেই যেতে পারে।
আইন অনুযায়ী, নির্বাচনের ফল প্রকাশের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নির্বাচন কমিশন দল ও জোটভিত্তিক তালিকা প্রস্তুত করবে এবং তার ভিত্তিতেই সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।