স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি একটি বড় রাজনৈতিক প্রশ্ন। জুলাই যোদ্ধাদের ইনডেমনিটি ও আইনি-সাংবিধানিক সুরক্ষা প্রদানের বিষয়টি ‘জুলাই জাতীয় সনদে’ অন্তর্ভুক্ত, এবং এই প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ‘জুলাই যোদ্ধা সুরক্ষা অধ্যাদেশ’ জারি করা হয়, যা বর্তমানে সংসদে উপস্থাপিত রয়েছে।
তিনি আরও জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মহল থেকে এসব ঘটনার বিচার নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি প্রশ্ন করেন, “তাহলে কি ১৯৭১ সালে রাজাকার হত্যার জন্য মুক্তিযোদ্ধাদেরও বিচার করা হবে, যদি কেউ মামলা আনতে চায়?”
সালাহউদ্দিন আহমদ উল্লেখ করেন, গণঅভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনকারীদের ওপর ‘হানাদার বাহিনীর মতো’ হামলা চালানো হয়েছিল এবং ‘ম্যাসাকার’ ও ‘গণহত্যা’ সংঘটিত হয়। জনতার প্রতিরোধের মুখে অনেকেই নিহত বা আহত হন। তিনি বলেন, “সেটা যুদ্ধের ময়দানে ফয়সালা হয়ে গেছে।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যোগ করেন, জুলাই যোদ্ধাদের সুরক্ষা দিতে জারি করা অধ্যাদেশ বিষয়ে সংসদে ঐকমত্য রয়েছে এবং জাতি এ বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ।
এর আগে সংসদ সদস্য আখতার হোসেন জানতে চেয়েছিলেন, জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত সহিংসতা ও পুলিশ হত্যা ইস্যুতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো পদক্ষেপ নেবে কি না।