সখীপুরের অনয়া সরকার লোকগীতিতে দেশসেরা হওয়ার স্বীকৃতি স্বরপ প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক গ্রহণ
সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
|
২০২৬-০৭-১৭ ১৬:৪৬
সিইও: সাজ্জাদ হোসেন চিশতী
বাংলাদেশ অফিস: ইউরোপা টাওয়ার, ফ্ল্যাট ৩/বি, ৩৮৩/১/এফ বিটিভি সংলগ্ন, পূর্ব রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
যুক্তরাজ্য অফিস: লেক্স হাউস, ১-৭ হেইনল্ট স্ট্রিট, ইলফোর্ড আইজি১ ৪ইএল, যুক্তরাজ্য।
ফোন : +৪৪ ৭৪৯৫ ৯২২৫৮২
© ২০২৬ | চ্যানেল ১৮ কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত
টাঙ্গাইল জেলার সখীপুর উপজেলার বেড়বাড়ী গ্রামের কৃতি ক্ষুদে শিক্ষার্থী অনয়া সরকার জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক- ২০২৬ এ লোকগীতি বিভাগে সারা বাংলাদেশে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন। গতকাল (১৫ জুলাই) বুধবার ঢাকার চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনয়া সরকারের হাতে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সনদ ও স্বর্ণপদক (গোল্ড মেডেল) তুলে দেন। অনয়া সরকার (১১) কিশোরগঞ্জের গাইটাল আবদুল ওয়াহেদ জনতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত রয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ।
উল্লেখ্য, অনয়া সরকার সখীপুর উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের বেড়বাড়ি এলাকার শংকর সরকার ও তুলি সরকার দম্পতির সন্তান। শংকর সরকার কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিসট হিসেবে রেডিওলজি এন্ড ইমেজিং বিভাগে কর্মরত রয়েছে।
অনয়া সরকারের পিতা শংকর সরকার বললেন, আমার ছোট বেলায় বাবা মারা যাওয়াতে আমার বড় বোন টাকার অভাবে গান সঠিকভাবে শিখতে পারে নাই। আমার বোনের এবং আমার পরিবারের সদস্যদের স্বপ্ন ছিলো অনয়াকে পড়াশোনার পাশাপাশি গান শিখানো। আমার সখীপুর বাসীর কাছে
আমার সন্তান অনয়ার জন্য দোয়া ও আশীর্বাদ প্রার্থনা করছি ও যেনো মানুষের মতো মানুষ হতে পারে। বিশেষ করে আমার সন্তানের কৃতিত্বের সিংহভাগ অবদানই আমার স্ত্রী তুলি সরকার এবং অনয়ার গানের শিক্ষক অশোক কুমার বিশ্বাসের। উনাদের সার্বিক দিকনির্দেশনায় ও অনুপ্রেরণায় আমার সন্তান
কঠোর অধ্যবসায়ের মাধ্যমে আজকে লোকগীতিতে দেশ সেরা হয়েছে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেছেন। আমি ও আমার স্ত্রী অনেক খুশি হয়েছি, অনেক আনন্দিত হয়েছি, অনেক গর্বিত হয়েছে। আমার সন্তান আমার সখীপুরবাসীর সম্মান বৃদ্ধি করেছে, আমাদের সম্মান বৃদ্ধি করেছে। আপনারা সকলেই আমার সন্তানের জন্য দোয়া ও আশীর্বাদ করবেন।