অভিযানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিয়াজ মাহমুদের নেতৃত্বে অবৈধভাবে নির্মিত দুটি বাঁশ ও পলিথিনের শেড এবং একটি ওয়াচার শেড ভেঙে ফেলা হয়। পাশাপাশি প্রাকৃতিক জলাশয়ে বাঁধ দিয়ে তৈরি করা অবৈধ পুকুরের পাড় কেটে জলাশয়ের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ পুনঃস্থাপন করা হয়।
রাজকান্দি রেঞ্জ কর্মকর্তা ও সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) প্রীতম বড়ুয়া জানান, উদ্ধার হওয়া বনভূমি পুনরায় বন বিভাগের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত বন আইন অনুযায়ী পি.ও.আর. (POR) বন মামলা দায়েরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি আরও জানান, দখলমুক্ত স্থানে প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির আওতায় বনায়ন করা হবে।
বন বিভাগ জানায়, সংরক্ষিত বনভূমি রক্ষায় সরকারের'জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে ভবিষ্যতেও এ ধরনের যৌথ অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে। পরিবেশবিদরা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ বন সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।