দিবসের কর্মসূচির শুরুতে সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন দক্ষিণ কোরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তৌফিক ইসলাম শাতিল। এ সময় দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিকেলে দূতাবাসের মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদ ও নির্যাতিত মা-বোনদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তারা বলেন, স্বাধীনতার লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা—যা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
রাষ্ট্রদূত তৌফিক ইসলাম শাতিল তার বক্তব্যে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, একটি ন্যায়ভিত্তিক ও আধুনিক বাংলাদেশ গঠনে সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরি। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশের উন্নয়নে অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।