রোববার সন্ধ্যায় বগুড়া শহরের সুত্রাপুর এলাকা থেকে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। পরে সোমবার আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, শহরের খান্দার মিশন হাসপাতালের সামনে জেমসের মালিকানাধীন একটি ভ্যারাইটিজ স্টোর রয়েছে। ওই দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করেন ময়েন উদ্দিন মোল্লা (৫৮)। অভিযোগ অনুযায়ী, রোববার দুপুর পৌনে ৩টার দিকে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শিশু ১০ টাকা নিয়ে দোকানে যায়। এ সময় আশপাশে কেউ না থাকার সুযোগে দোকান কর্মচারী ময়েন উদ্দিন শিশুটিকে জোর করে দোকানের ভেতরে নিয়ে শাটার বন্ধ করে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা দোকানের শাটার খুলে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। তবে এর আগেই অভিযুক্ত কর্মচারী ময়েন উদ্দিন পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার সময় দোকানের মালিক জেমস সেখানে উপস্থিত না থাকলেও তিনি তার কর্মচারীকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছেন। এ অভিযোগের ভিত্তিতেই শিশুটির মা সদর থানায় ধর্ষণচেষ্টার মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় ময়েন উদ্দিনকে এবং দ্বিতীয় আসামি হিসেবে রাখা হয় রেজওয়ান হাসান জেমসকে।
বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ আলম জানান, মামলার দ্বিতীয় আসামি রেজওয়ান হাসান জেমসকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে প্রধান আসামিকে পালাতে সহযোগিতা করার অভিযোগ রয়েছে। আদালতে হাজির করার পর বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
তিনি আরও জানান, মামলার প্রধান আসামি ময়েন উদ্দিন মোল্লাকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে শিশু নির্যাতনের মতো স্পর্শকাতর ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত প্রধান আসামিকে দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।