মাহাতাবের ভাই মহিবুল ইসলাম জানান, গ্রামের মাঠে পাশাপাশি জমিতে তারা ধান রোপনের জন্য জমি প্রস্তুত করছিলেন। জমিতে পানি দেওয়ার সময় হঠাত ইদুরের গর্ত থেকে সাপে কামড় দেয়। মাঠের লোকজন তার পায়ে কাপড় দিয়ে বেঁধে চৌগাছা গ্রামের ফোরকান আলী নামের এক কবিরাজের নিকট নিয়ে আসেন।
প্রায় ৩ ঘন্টা সাপে কামড় দেওয়া রোগী মাহতাবের উপর ঝাড়ফুক, বাটি চালান ও শরীর কেটে রক্ত বের করার পরও মাচা তৈরী করে আগুনের তাপ দেওয়া হয়। ওঝার এই কেরামতিতে বাঁচাতে পারেনি মাহাতাবকে। অবশেষে দুপুরের দিকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন মাহাতাব।
সেখানে ৩ ঘন্টা ধরে ঝাঁড় ফুক করা হয়। হাত চালান, পা কাটা ও সর্বশেষ মাচা তৈরী করে আগুনের স্যাকা দেওয়া হয়। ততোক্ষণে মাহাতাবের মৃত্যু হয়। পরে বাড়ির লোকজন গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা: নাহিদ জানান, রোগীকে সকালে সাপে কেটেছে। তারা কবিরাজের কাছে নিয়ে বিভিন্ন রকম চিকিৎসা করিয়ে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই সে মৃত্যু বরণ করেছে।