উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সরকার জনস্বাস্থ্যের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। টিকাদান কার্যক্রম সফলভাবে এগিয়ে গেলে অচিরেই দেশব্যাপী হামের প্রকোপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও জানান, সরকারি অনুমোদন সাপেক্ষে সিলেটে শিগগিরই ২৫০ শয্যার একটি হাসপাতাল চালু করা হবে। সিলেটের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে বিদ্যমান অসন্তোষ দূর করতে সরকার কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, বিভিন্ন সামাজিক সূচকে সিলেট এখনও পিছিয়ে রয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এসব বৈষম্য দূর করার লক্ষ্যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন সফল করতে সংশ্লিষ্টরা নিরলসভাবে কাজ করছেন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় সভা এবং ব্যাপক প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশন এলাকায় হামের প্রকোপ তুলনামূলক কম হলেও শিশুদের শতভাগ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই ক্যাম্পেইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো ধরনের গুজবে কান না দিয়ে অভিভাবকদের শিশুদের টিকা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম। সিসিক ও স্বাস্থ্য বিভাগীয় পরিচালকের কার্যালয়ের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সহকারী পরিচালক ডা. নূরে আলম শামীম।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. জিয়াউর রহমান চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তা ডা. সুফি মো. খালিদ বিন লুৎফুর, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী এবং ইউনিসেফের সিলেট ফিল্ড অফিসের প্রধান মির্জা ফজলে এলাহী।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, সিলেট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোশনূর রুবাইয়াত, অগ্রগামী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহেদা গুলশান সিদ্দিকা প্রমুখ। সুলতান সুমন, সিলেট প্রতিবেদক