রবিবার (১৯ এপ্রিল) সংসদের বৈঠকে তিনি বলেন, বাগেরহাট বিসিক শিল্পনগরীতে দীর্ঘদিন ধরে উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নয়ন হয়নি। শিল্পনগরীর অভ্যন্তরীণ সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে, যা শিল্পকারখানার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করছে।
এমপি রাহাদ বলেন, শিল্পনগরীর এসব সমস্যার কারণে উদ্যোক্তারা নানা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এবং নতুন বিনিয়োগেও অনীহা দেখা দিচ্ছে। তাই শিল্পখাতের বিকাশে জরুরি ভিত্তিতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রয়োজন। তিনি এ বিষয়ে বিশেষ বরাদ্দ দিয়ে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণের জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
প্রশ্নের জবাবে শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুতালিব বলেন, দেশের বিসিক শিল্পনগরীগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কার কাজ সরকারের পরিচালন ব্যয় থেকেই করা হয়। তবে ৮০টি শিল্পনগরীর জন্য বরাদ্দকৃত বাজেট প্রয়োজনের তুলনায় কম হওয়ায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে।ৎ
তিনি জানান, বাগেরহাট বিসিক শিল্পনগরীতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রায় ৩৫ লাখ ২৬ হাজার ৮১০ টাকা ব্যয়ে ৬০৫ ফুট রাস্তা এবং ৩৪ লাখ ৭১ হাজার ৭৮৪ টাকা ব্যয়ে ১১২৮ ফুট ড্রেন মেরামত কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রায় ৪৬ লাখ ৬৩ হাজার ১৬৫ টাকা ব্যয়ে ৯২০ ফুট রাস্তা এবং ৫০ লাখ ৪০ হাজার ৪৮৭ টাকা ব্যয়ে ১৮৩৮ ফুট ড্রেন মেরামত কাজ চলমান রয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, ভবিষ্যতে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে বাগেরহাট বিসিক শিল্পনগরীর সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন কাজ জোরদার করা হবে।
উল্লেখ্য, বাগেরহাট সদর উপজেলায় ১৯৯৫ সালে প্রায় ১৯.৩ একর জমির ওপর বিসিক শিল্পনগরী প্রতিষ্ঠিত হয়। এখানে মোট ১২১টি শিল্প প্লট রয়েছে, যার অধিকাংশই বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে উৎপাদনশীল, বন্ধ ও নির্মাণাধীন মিলিয়ে একাধিক শিল্প ইউনিট কার্যক্রম চালু রয়েছে। তবে এখনো কিছু প্লট অব্যবহৃত রয়েছে।