শুক্রবার (১৯ জুন) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে রোটারি বাংলাদেশ আয়োজিত এক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। শিক্ষাক্রম বিশেষজ্ঞরা ‘ফোর-ওয়ে টেস্ট’ পর্যালোচনা করবেন এবং এটি ষষ্ঠ শ্রেণি বা অন্য কোনো শ্রেণির পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব কিনা, তা যাচাই করবেন। ফোর-ওয়ে টেস্ট হলো— আমরা যা চিন্তা করি, বলি ও করি, তা যাচাই করার জন্য চারটি প্রশ্ন।
প্রশ্নগুলো হলো: এটি কি সত্য? এটি কি সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি ন্যায়সংগত? এটি কি সদ্ভাব ও ভালো বন্ধুত্ব গড়ে তুলবে? এটি কি সংশ্লিষ্ট সবার জন্য উপকারী হবে? এই চার প্রশ্নের উত্তর যদি ‘হ্যাঁ’ হয়, তাহলে সেই চিন্তা, কথা বা কাজকে নৈতিক ও সঠিক বলে বিবেচনা করা যায়।
সেমিনারে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে সরকার শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সঙ্গে কর্মমুখী ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে কারিগরি এবং বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ খাতের সম্প্রসারণ এবং মানোন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।