স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার রাত পৌনে ১০টার দিকে সীমান্তের ওপারে হঠাৎ নিরাপত্তা বাতি নিভিয়ে দেয় বিএসএফ। এতে সন্দেহের সৃষ্টি হলে মাইকিং করে স্থানীয়দের সতর্ক করা হয়। পরে পাঁচ শতাধিক গ্রামবাসী লাঠিসোঁটা নিয়ে সীমান্ত এলাকায় জড়ো হন। একই সময়ে বিজিবির সদস্যরাও ঘটনাস্থলে গিয়ে সতর্ক অবস্থান নেন।
স্থানীয়দের দাবি, মানুষের উপস্থিতি ও প্রতিবাদের মুখে বিএসএফ পুনরায় সীমান্তের আলো জ্বালায়। তখন সীমান্তের ওপারে বিএসএফের কয়েকটি যানবাহন এবং সাদাপোশাকে কয়েকজন ব্যক্তিকে দেখা যায়। পরিস্থিতির কারণে রাতভর বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দারা সীমান্ত পাহারা দেন। একপর্যায়ে বিএসএফ পুশ-ইনের জন্য জড়ো করা ব্যক্তিদের সরিয়ে নেয়।
শনিবার সকালে ৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ব্যাটালিয়নের সদস্য ও স্থানীয় গ্রামবাসীর যৌথ তৎপরতায় সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের একটি চেষ্টা প্রতিহত করা হয়েছে।
বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, ভারতের ১১৯ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের মল্লিক সুলতানপুর ক্যাম্পের অধীন সীমান্ত পিলার ১৮৩/৩-এস এলাকার কাছে সীমান্তের নিরাপত্তা বাতি বন্ধ করা হয়। একই সময়ে ভারতের অভ্যন্তরে কয়েকজনের সমাগম লক্ষ্য করা গেলে বিজিবি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় প্রতিরোধমূলক অবস্থান নেয়। পরে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে বিএসএফ ওই ব্যক্তিদের নিজেদের গাড়িতে করে মালদাহ হোল্ডার সেন্টারে নিয়ে যায় বলে বিজিবি জানিয়েছে।
৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।