এদিকে শিক্ষক সংকট, বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক না থাকা ও অনিয়মিত ক্লাসকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এবার বিদ্যালয়টি থেকে নিয়মিত আটজন ও একজন ক্যাজুয়াল পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। নিয়মিত আট পরীক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।
অকৃতকার্য এক শিক্ষার্থী বলেন, “এত দিন স্যাররা ঠিকমতো ছিলেন না। ক্লাস করানোর মতো শিক্ষকও ছিল না। অংক আর ইংরেজির শিক্ষক ছিল না। ক্লাসও কম হয়েছে। অনেক সময় স্যাররা ছুটি দিয়ে দিতেন, তাই আমরা চলে যেতাম।”
অভিভাবক বাসুদেব বলেন, “আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি। চার-পাঁচটি প্রাইভেট পড়িয়েছি। কিন্তু স্কুলে স্যাররা কী করছেন, বলতে পারছি না। নির্ধারিত সময় পর্যন্ত ক্লাস হয়নি। কোনো দিন ১০টায় গিয়ে ১১টায় চলে এসেছে, আবার কখনো স্যাররা না থাকায় শিক্ষার্থীরাও চলে এসেছে।”
এলাকাবাসীর দাবি, একসময় বিদ্যালয়টির ফলাফল ভালো ছিল। বর্তমানে শিক্ষক সংখ্যা বাড়লেও শিক্ষার মান বাড়েনি। তাঁদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক না থাকায় বিদ্যালয়ের কার্যক্রমে যথাযথ তদারকি নেই। অনেক সময় নির্ধারিত সময়ের আগেই ছুটি হয়ে যায়। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটিও না থাকায় জবাবদিহি নেই বলে অভিযোগ তাঁদের।
তবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তাসলিমা আক্তার বলেন, “একসময় মাত্র তিনজন শিক্ষক ছিল। অংক ও ইংরেজির শিক্ষক ছিল না। এ কারণে ঠিকমতো ক্লাস হয়নি। পরে শিক্ষক পাওয়া গেছে। এখন সাতজন শিক্ষক আছেন। প্রায় এক বছর শিক্ষক না থাকায় সমস্যা ছিল। পাশাপাশি শিক্ষার্থীরাও নিয়মিত ক্লাস করে না।”
সাত শিক্ষক থাকার পরও
আট পরীক্ষার্থীর কেউ পাস না করায় বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ও তদারকি ব্যবস্থা পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও এলাকাবাসী।