বুধবার (১৫ এপ্রিল) কোম্পানিটি ডিএসইকে জানায়, তাদের কাছে এমন কোনো অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য (পিএসআই) নেই, যাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সময়ে কোম্পানির শেয়ারের দাম এমনভাবে বাড়তে পারে। তারা এই অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধি ও লেনদেনের কারণ জানে না।
তবে কোম্পানিটি আরও জানায়, গত ১০ মার্চ তারা শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি, ডিএসই এবং সিএসইকে চিঠির মাধ্যমে বর্তমান পরিচালক ও উদ্যোক্তাদের শেয়ার নতুন বিনিয়োগকারীদের কাছে হস্তান্তরের বিষয়ে অবহিত করেছে।
এছাড়া গত ৩১ মার্চ সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর কাছে বর্তমান পরিচালক ও উদ্যোক্তাদের ৩০ শতাংশ শেয়ার হস্তান্তর এবং কোম্পানির ব্যবস্থাপনা নতুন বিনিয়োগকারীদের কাছে হস্তান্তরের অনুমোদন চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। এ বিষয়ে এখনো নিয়ন্ত্রক সংস্থার চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া যায়নি।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, ব্যবস্থাপনা পরিবর্তন ও শেয়ার হস্তান্তরের এ ধরনের প্রক্রিয়া বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি করতে পারে, যা অনেক সময় শেয়ারদর ও লেনদেন বাড়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।