ঈদের আনন্দের জন্য মানুষ সব বাধা তুচ্ছ করে বাড়ির পথে যাত্রা করছে। বিমানবন্দর রেল স্টেশনে প্ল্যাটফর্মে মানুষের এত ভিড় যে দাঁড়ানোর জায়গা নেই।
অগ্রিম টিকিট থাকলেও ট্রেনে ওঠা যেন এক যুদ্ধের মতো। অনেক যাত্রী ট্রেনের কামরায় জায়গা না পেয়ে জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে ছাদে অথবা দুই বগির মাঝে ওঠছেন। তবে চোখে-মুখে বাড়ি ফেরার আনন্দ স্পষ্ট।
এক যাত্রী জানান, “টিকিট পেয়েছি ঠিকই, কিন্তু ট্রেনে ঢোকাই তো যুদ্ধ। ভিড়ের কারণে সিট পর্যন্ত পৌঁছানো যাচ্ছে না। তবুও বাড়ি যাচ্ছি, এটাই বড় আনন্দ।”
অন্য এক যাত্রী বলেন, “বাচ্চাদের সঙ্গে একটু কষ্ট হচ্ছে, ট্রেন আধা ঘণ্টা লেট। কিন্তু বাড়ি গিয়ে সবার মুখ দেখলে এই কষ্ট ভুলে যাবো।”
যাত্রীদের সহজ ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেবা দিচ্ছে। অসুস্থ বা আহত যাত্রীদের প্রাথমিক চিকিৎসা, সহজে পরিবহন সহ নানা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
রেল কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যাত্রীদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে হিমশিম খাচ্ছে। তারা ছাদে ভ্রমণ ঠেকানো এবং টিকিট ছাড়া যাত্রীদের প্রবেশ রোধ করার কথা জানালেও বাস্তব চিত্র কিছুটা ভিন্ন।
বাংলাদেশ রেলওয়ের বাণিজ্যিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদ সারোয়ার বলেন, “আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করছি শিডিউল ঠিক রাখতে। স্পেশাল ট্রেন সার্ভিস চালু আছে। যাত্রীদের অনুরোধ করছি জীবন ঝুঁকি নিয়ে ছাদে না উঠতে।”