চিঠিতে রাহুল ছেলেকে জীবন ও দায়বদ্ধতার পাঠ দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, বাবার পক্ষে কখনো নিজেকে “ফাদারস ডে” উদযাপন করা সহজ ছিল না, তবে ছেলের কাছে নিজের ভালোবাসা প্রকাশের জন্য তা করেছেন। রাহুল উল্লেখ করেছেন, তার মা এবং তিনি ১৪ ও ২১ বছর বয়সে বন্ধু হিসেবে শুরু করেছিলেন, শুটিংয়ের সময় সেটের কোনায় আড্ডা দিয়ে নিজেদের বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছিলেন। তিনি ছেলেকে সতর্ক করেছেন, ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে চাইলে সকলের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতে হবে।
চিঠিতে তিনি মা হওয়ার সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের কথাও তুলে ধরেছেন। লিখেছেন, “আমরা সন্তানেরা শুধু মায়ের বুকের ওমটুকু টের পাই, পিঠে কতগুলো ছুরি গাঁথা আছে তা দেখতে পাই না। মায়েরা তা সযত্নে লুকিয়ে রাখেন। তোমার মাও রেখেছে। কিন্তু আমি চাইব, তুমি সেই ক্ষতগুলোর শুশ্রূষা করবে।”
রাহুল ছেলেকে তার উত্তরাধিকার ও অহংকারের জিনিসগুলোও দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ছেলেকে দিচ্ছেন সব নদী, পাহাড়, জঙ্গল এবং বাংলা ভাষার সমস্ত ঐশ্বর্য। তিনি শেষ করেছেন, সব কিছু দিয়ে দিয়েছেন যা নিজের ভাগ হিসেবে ছিল।
চিঠিটি তিনি ২০২১ সালের বাবা দিবসে লিখেছিলেন। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ২৯ মার্চ তালসারি সৈকতে শুটিং করতে গিয়ে রাহুল অরুণোদয় মর্মান্তিকভাবে মারা যান।