নিহত যুবক মুক্তারপুর গ্রামের মৃত ছৈদ মিয়ার ছেলে বাতির আলী।
সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাতে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ঘর থেকে ডেকে এনে মুক্তারপুর গ্রামের নিহত বাতির আলীর পার্শ্ববর্তী বাসিন্দা আবুল, লিটন ও তাদের পিতা আবদুল মানিকসহ আরও কয়েকজন মিলে বাতির আলীকে বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র দিয়ে বেদড়ক পিটিয়ে মৃত ভেবে নিহতের বাড়ির পাশে রেখে আসে। ঐ সময় স্থানীয় একজন মহিলা বিষয়টি দেখে শোর চিৎকারে করলে আসপাশের লোকজন এবং তার পরিবারের সদস্যরাসহ নিহতের ফুফু সিলাম ইউনিয়নের ১,২,৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য সাবিনা আক্তার আসমাসহ স্থানীয়রা মিলে বাতির আলীকে চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তারগণ তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ খবর পেয়ে রাত আড়াইটার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এসএমপি’র মোগলাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ। তবে এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।
সিলাম ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য সাবিনা আক্তার আসমা বলেন, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বাতিরকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।
তিনি আরও জানান, নিহতের মৃতদেহ ময়না তদন্ত শেষে দাফন-কাপনের পর এ ব্যাপারে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেওয়া হবে।
মোগলাবাজার থানা পুলিশ সূত্র জানায়, সিলাম মুক্তারপুরে মারপিটের অভিযোগ বাতির আলী নামক যুবক নিহতের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। নিহতের মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। আর এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশী অভিযান অব্যাহত আছে ।