ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের মেঘনা গ্রামে। অভিযুক্ত দুই প্রভাবশালী ব্যক্তি হলেন একই গ্রামের রবিউল ইসলাম রাজা ও মিন্টু মৃধা। রবিউল ইসলাম এক জন সরকারি কর্মকর্তা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ফেব্রুয়ারি মাসে রবিউল ইসলাম রাজা ও মিন্টু মৃধার বিরুদ্ধে সরকারি রাস্তা কেটে পুকুর খননের অভিযোগ তুলে প্রায় ১৫০টি পরিবার সংবাদ সম্মেলন করেন।
এ সময় গ্রামবাসীরা দাবি করেন, সরকারি রাস্তা কেটে পুকুর খননের ফলে সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, সেই সংবাদ সম্মেলনে রবিউল ইসলাম রাজার সমাজের ১০ থেকে ১২ টি পরিবার অংশগ্রহণ করেন এজন্য পরিবার গুলোকে সমাজ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “যদি তাদের সমাজে আমাদের রাখবেন না, তাহলে আগেই জানাতে পারতেন। ঈদের সময় এমন সিদ্ধান্ত আমাদের জন্য খুব কষ্টের। আজ ঈদের দিনে কেন আমাদের এভাবে অপমান করা হচ্ছে?”
এ ঘটনায় এলাকায় খুব আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে প্রভাবশালী সরকারি কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম রাজা বলেন,
“তারা আমার মান-সম্মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তাহলে আমি কেন তাদের সমাজে স্থান দেব? এটি কোনো রাষ্ট্রীয় বিষয় নয়। আমার বাড়ির মাংস কাকে দেব, সেটি সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত বিষয়।”