জ্যামাইকাকে রুখে কুরাসাওয়ের রূপকথা
ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের মাত্র দেড় লাখ জনসংখ্যার ছোট্ট দ্বীপ রাষ্ট্র কুরাসাও এবার বিশ্বমঞ্চে নাম লেখাতে যাচ্ছে। ১৭১ বর্গমাইলের এই ছোট্ট দেশটিকে আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরের চেয়ে সামান্য বড় বলা চলে। বাছাইপর্বের চূড়ান্ত লড়াইয়ে শক্তিশালী জ্যামাইকার বিপক্ষে দুর্দান্ত এক ড্রয়ের মাধ্যমে ইতিহাস গড়ে তারা। একসময় ফিফা র্যাংকিংয়ে ১৫০-এর নিচে থাকা কুরাসাও বর্তমানে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে ৮০-র ঘরে উঠে এসেছে, যা বিশ্ব ফুটবলে দলটির ধারাবাহিক উন্নতিরই এক অনন্য প্রমাণ।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান উজবেকিস্তান ও জর্ডানের
এশিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে এবারই প্রথম ফুটবল বিশ্বকাপে মাঠ কাঁপাবে উজবেকিস্তান। এর আগে ২০০৬ সালের জার্মানি এবং ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে খুব কাছাকাছি গিয়েও মূল আসরের টিকিট হাতছাড়া হয়েছিল উজবেকদের। তবে এবার আর হতাশ হতে হয়নি একঝাঁক প্রতিভাবান ফুটবলার নিয়ে গড়া দলটিকে। অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের দেশ জর্ডান প্রায় ৪০ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বিশ্বমঞ্চে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। এশিয়ান অঞ্চলের বাছাইপর্বে এএফসি গ্রুপ 'বি' থেকে রানার্সআপ হিসেবে নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপ টিকিট নিশ্চিত করে তারা।
লিংকডইন ও প্রবাসী ফুটবলারদের জাদুতে কেপ ভার্দে
আফ্রিকার পশ্চিম উপকূলের মাত্র ৬ লাখ জনসংখ্যার দেশ কেপ ভার্দে এবার চমক দেখিয়েছে। ১৯৯০ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে অংশ নেওয়া দলটির এই সাফল্য অবশ্য রাতারাতি আসেনি। দীর্ঘ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তারা ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা কেপ ভার্দীয় বংশোদ্ভূত ফুটবলারদের খুঁজে বের করে জাতীয় দলে ভেড়াতে শুরু করে। বর্তমান স্কোয়াডে নেদারল্যান্ডসে জন্ম নেওয়া ৬ জন ফুটবলার রয়েছেন। এমনকি আয়ারল্যান্ডে জন্ম নেওয়া তাদের এক ডিফেন্ডার রবার্তোকে তো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'লিংকডইন'-এর মাধ্যমে খুঁজে বের করে কেপ ভার্দে ফুটবল কর্তৃপক্ষ, যা দলটির বিশ্বকাপ যাত্রায় অন্যতম এক অনন্য গল্প হয়ে থাকবে।