কিন্তু মাঠের সমস্যা মিটতে না মিটতেই জন্ম নেয় নতুন এক টানাপোড়েন- এবার আর ঘাসের সংক্রমণ নয়, বরং সূচি নিয়ে। নতুন তারিখ হিসেবে ঠিক হয় ২৭ আগস্ট, আর এতেই চটে যায় ওসাসুনা। তাদের ভাষ্যে, এ সিদ্ধান্ত আগে থেকে দুই ক্লাবের মধ্যে হওয়া একটি অলিখিত সমঝোতাকে সরাসরি লঙ্ঘন করেছে।
ওসাসুনা জানায়, তারা ও সেল্টা মিলে আগেই আলোচনা করেছিল- সেপ্টেম্বরের আন্তর্জাতিক বিরতির সময়, অর্থাৎ ২৪ বা ২৫ তারিখে ম্যাচটি আয়োজনের ব্যাপারে। যুক্তি ছিল সহজ- মৌসুমের একেবারে শুরুতে বাড়তি চাপ এড়িয়ে খেলোয়াড়দের বিশ্রাম আর পুনরুদ্ধারের সুযোগ দেওয়া। কিন্তু কর্তৃপক্ষ সেই প্রস্তাব আমলেই নেয়নি বলে অভিযোগ ক্লাবটির।
মজার ব্যাপার হলো, ছত্রাকের কারণে মাঠের বেহাল দশার কথা ওসাসুনাও অস্বীকার করছে না। তারা মেনে নিয়েছে, সেল্টা মাঠ ঠিক করার চেষ্টা চালিয়েছিল যথাসাধ্য, কিন্তু শেষমেশ তা যথেষ্ট হয়নি। আসল আপত্তি বরং জন্ম নিয়েছে সমাধানের পথ বেছে নেওয়া নিয়ে- কর্তৃপক্ষ একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিয়েছে বলে মনে করছে তারা।
আর এখানেই লুকিয়ে আছে এই কাহিনির সবচেয়ে বিদ্রুপাত্মক অংশটুকু। ম্যাচ স্থগিত হওয়ায় প্রথম দফায় সবচেয়ে বেশি ভুগেছিল যে দল, নতুন সূচিতেও শেষ পর্যন্ত সেই দলই যেন আবার সবচেয়ে বড় ক্ষতির মুখে পড়ল। যেন এক অদৃশ্য ছত্রাক শুধু মাঠের ঘাস নয়, সূচির ন্যায্যতাকেও কিছুটা সংক্রমিত করে দিয়ে গেছে।