তিনি ১০ সেপ্টেম্বর'২৬ রাজশাহীর বিজ্ঞ সি এম এম আদালতে ৩৯৫, ৩২৩, ৩৮০দঃবিঃ, ২০১৮ সালের যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।
পূর্বেও স্বর্ণার প্রতারণা নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে একাধিক অনলাইন গণমাধ্যম। স্বর্ণা মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের স্বর্ণ ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে। স্বর্ণা নিজেকে অবিবাহিত দাবী করে একাধিক বিয়ে, মামলার ভয় দেখিয়ে যৌতুক আদায়, পরিবারের প্ররোচনায় স্বামীকে শারীরিক নির্যাতন, মোবাইল ফোন চুরি, স্বামীকে হত্যার হুমকি, শাশুড়ীর স্বর্ণালংকার আত্মসাৎ ও পরকীয়ায় জড়িত থাকায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে স্বামী শাহনেওয়াজ।
বাদী শাহনেওয়াজ জানান "পবিত্র কুরআন নিয়ে কসম কেটে আমাকে স্বর্ণা বিয়েতে রাজি করায়, বিয়ের পর জানতে পারি স্বর্ণার মা ফিরোজা ও ভাই অন্তুরের সহযোগিতায় বিভিন্ন নামে রিং আইডি, বিগো, ইয়হো, টিকটক, লাইকি, ফেসবুকে ২০২১ সাল থেকে কখনো নবনী, কখনো ইরা, নিদ্রিতা, শুবাহনা, সামান্তা, রিসা নামে এসকল প্রতারণার ফাঁদ পাতে আসছে। আমার আগেও সাজ্জাদ হোসেন সজীব ও কাজী সাব্বিরের সাথে তার বিয়ে হয়েছে। মোহাম্মদপুর তাজমহল রোডের ইয়ামিন, নুর জাহান রোডের মুন্না, চট্রগ্রামের রানা ওরফে জুবিন, সাজ্জাদ, জিসু, মান্নান, ইতালি প্রবাসী রিয়াদ, ইমরান, সাইপ্রাস প্রবাসী মৃদুলের সাথে তার অনৈতিক সম্পর্ক পূর্বে হয়েছে। বর্তমানে রাতুল নামে একছেলের সাথে তার ঘনিষ্ঠ ছবি আমার হাতে আসে এবং তাদের দুইজনকে আপত্তিকর অবস্থায় স্বর্ণার মোহাম্মদপুর তাজমহল রোডের ১৩/৪ বাসায় ৫ই জুলাই'২৬ হাতেনাতে ধরি। এছাড়াও আমি জেনেছি সে মাদকসেবি, পূর্বেও বাসা থেকে একাধিকবার পালিয়েছে রানা ও ইমরানের সাথে। সুষ্ঠ তদন্তে সকল সত্যতা বেরিয়ে আসবে বলে আমার বিশ্বাস।"
বাদীর আইনজীবী এড. রেবেকা সুলতানা জানান আমরা স্বর্ণা ও তার পরিবারের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছি। মক্কেলের দেওয়া সকল প্রমান, ছবি, ভিডিও, ম্যাসেজ যাচাই-বাছাই করে বিবাদী স্বর্ণার বিরুদ্ধে আমরা আইনি পদক্ষেপ গ্রহন করেছি। বিজ্ঞ আদালত মামলা আমলে নিয়ে পিবিআই এর কাছে তদন্ত্যের জন্য প্রেরন করেছেন। বিষয়টি এখন সম্পূর্ণ বিজ্ঞ আদালতের ওপর, তবে শাহনেওয়াজ ন্যায় বিচার পাবে বলে আমি আশাবাদী।