পরিবার সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকায় প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। নিহতের শ্যালক পিন্টু তালুকদার জানান, মঙ্গলবার দুপুরে তার মরদেহ ভোলায় আনা হবে। জোহরবাদ ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে দ্বিতীয় জানাযা ও তার জন্মভূমি সদর উপজেলা দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামের বাড়িতে তৃতীয় জানাযা শেষে পারিবারিক করস্থানে তার মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হবে। এদিকে মৃত্যুর খবরে তোফায়েল আহমেদের গ্রামের বাড়িতে সমবেদনা জানাতে ভীড় করেন স্বজন- শুভানুধ্যায়ীরা।
এদিকে তোফায়েল আহমেদের অনন্ত বিদায়ের খবরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে তার জন্মভূমি ভোলায়। তার স্বজন, শুভাকাঙ্খি ও দলীয় অনুসারীদের মধ্যে শোক নেমে আসে। শোকাহত হয়েছেন বিভিন্ন রাজনিতক নেতৃবৃন্দ।
ভোলা জেলা বিএনিপর আহবায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক গোলাম নবী আলমীর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে আমি ব্যক্তিগতভাবে শোকাহত হয়েছি। তার সাথে দীর্ঘ দিন রাজনীতি করেছি। আমি একটি দলের নেতৃত্ব দিয়েছে এবং সে আওয়ামী লীগের বিশিষ্ট নেতা ছিলেন সেহিসাবে চিনি। তার মৃত্যুতে ভোলাবাসী একজন অভিভাবক হারিয়েছে। তার বিদেয়ী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। তোফায়েল আহমেদের প্রতিবেশি সৈয়দ আহম্মদ জানান, কোড়ালিয়া তথা ভোলার নামের সাথে তোয়ায়েল আহমেদের নাম অঙ্গাঅঙ্গভাবে জড়িত। সারাদেশে এমনকি দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশেও ভোলাকে চিনিয়েছেন তোফায়েল আহমেদ। তোফায়েল আহমেদের নাতি মো. শাকিল জানান, তাদের মাথার উপর যে বটবৃক্ষটি ছিল সেটি আজ দুনিয়া ছেড়ে চলে গেছে। তোফায়েল আহমেদের বনার্ঢ্য জীবন:
বাংলাদেশের রাজনীতি ও আন্দোলণ সংগ্রামের অগ্রনায়কের নাম তোয়ায়েল আহমেদ। সাগরকূলের দ্বীপজনপদ ভোলার কোড়ালিয়া গ্রামের ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মৌলভী ব্যবসায়ী আজহার আলী ও মা গৃহীনি ফাতেমা খানম। ১৯৬৪ সালে সদর উপজেলার ধনিয়ার বাসিন্দা আলহাজ মফিজুল হক তালুকদারের বড় মেয়ে আনোয়ারা বেগমের সঙ্গে তার বিবাহিত জীবন শুরু হয়। তোফায়েল আহমেদ এক কন্যার জনক।