সমাবেশে প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, মাদক সমাজ, পরিবার ও রাষ্ট্রের জন্য এক ভয়াবহ অভিশাপ। মাদক নির্মূলে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা ও সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ অপরিহার্য। যারা অপরাধের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে আন্তরিক, জেলা পুলিশ তাদের পুনর্বাসন ও সমাজে পুনঃএকীভূত হওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে। তবে মাদক ব্যবসা ও সেবনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
অনুষ্ঠান ১৬ জন মাদক কারবারি স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেন। তারা মাদক ব্যবসা পরিহার করে সৎ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। আত্মসমর্পণকারীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয় এবং ভবিষ্যতে মাদকমুক্ত জীবনযাপন ও সমাজের কল্যাণে কাজ করার শপথ গ্রহণ করানো হয়।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সুধীজন ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতামূলক বক্তব্য প্রদান করেন এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং অপরাধীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সুযোগ সৃষ্টি করলে মাদকমুক্ত, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণ আরও বেগবান হবে।