পিরোজপুরে জাতীয় গ্রিডের কাজে চাঁদা দাবির অভিযোগ, পাইপ ভাঙচুর
জেলা রিপোর্টার, পিরোজপুর
|
২০২৬-০৮-২৬ ১৭:৫৩
সিইও: সাজ্জাদ হোসেন
বাংলাদেশ অফিস: ইউরোপা টাওয়ার, ফ্ল্যাট ৩/বি, ৩৮৩/১/এফ বিটিভি সংলগ্ন, পূর্ব রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
যুক্তরাজ্য অফিস: লেক্স হাউস, ১-৭ হেইনল্ট স্ট্রিট, ইলফোর্ড আইজি১ ৪ইএল, যুক্তরাজ্য।
ফোন : +৪৪ ৭৪৯৫ ৯২২৫৮২
© ২০২৬ | চ্যানেল ১৮ কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত
পিরোজপুরের কদমতলায় নির্মাণাধীন জাতীয় গ্রিডের সাব-স্টেশনে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়নের বিএনপি'র সভাপতি আব্দুস সালাম এর বিরুদ্ধে। চাঁদা না দেওয়ায় মঙ্গলবার রাতের আঁধারে কোন এক সময় নির্মাণাধীন জাতীয় গ্রিডের বালু ভরাটের পাইপ ভেঙে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা ঠিকাদার। এব্যাপারে পিরোজপুর সদর থানায় বুধবার লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ঠিকাদার।পিরোজপুর সদর উপজেলার ঢাকা-পিরোজপুর মহাসড়কের পাশে কদমতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।সংশ্লিষ্টরা জানান, রিংটেক লিমিটেড নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জাতীয় গ্রিডের সাব-স্টেশন নির্মানের কাজ করছেন। গ্রিড সাব-স্টেশন নির্মাণকাজের অংশ হিসেবে নদী থেকে বালু উত্তোলন করে পাইপের মাধ্যমে নির্ধারিত স্থানে ভরাট করছিলো তাহসিন এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এরই মধ্যে স্থানীয় এক বিএনপি নেতা কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের কাছে প্রতি বর্গফুট বালুর জন্য ১ টাকা করে ১০ লক্ষ ফুট বালির জন্য ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন ঠিকাদার মোঃ জাকির হোসেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে কাজ বন্ধ করে দেওয়াসহ নানা হুমকি দেওয়া হয়।এরপর রাতে দুর্বৃত্তরা নির্মাণাধীন প্রকল্প এলাকায় গিয়ে বালু ভরাটের পাইপ ভেঙে ফেলে। এতে বন্ধ হয়ে যায় বালু ভরাটের কাজ। ঘটনার পর থেকে শ্রমিক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।পরবর্তীতে ঠিকাদার প্রায় এক কিলোমিটার এলাকার পাইপ মেরামত করে পুনরায় কাজ শুরু করেন। ঠিকাদারসহ কাজের সাথে সংশ্লিষ্টরা বলছেন সময়মতো বালু ভারার করতে না পারলে গ্রিড সাব-স্টেশন নির্মাণ কাজ ব্যাহত হবে।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত কদমতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাবেক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম বলেন, আমি কোন চাঁদা চাইনি। স্থানীয় কিছু ছেলেপান চা-পানির খরচ হিসেবে কিছু টাকা চেয়েছিল। তবে পরবর্তীতে সেটা আমি মীমাংসা করে দিয়েছি। আমি ঢাকায় পাইপ ভাঙ্গার ব্যাপারে কিছুই জানিনা।
পিরোজপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। আমরা অভিযোগের আলোকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।