উদ্ভোধনী বক্তব্যে জেলাপরিষদ প্রশাসক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাংবাদিকদের বিষয়ে আন্তরিক। সেই লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সাংবাদিকদের নতুন প্রযুক্তিতে দক্ষ হয়ে উঠতে হবে। এআই ব্যবহারের পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠতা, পেশাগত নৈতিকতা এবং তথ্য যাচাইয়ের সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।’
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উদ্ভোধনী অধিবেশনে প্রেসক্লাব সভাপতি এস এম রেজাউল ইসলাম শামীম এর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, প্রশিক্ষন কর্মসুচির আহবায়ক সিনিয়র সাংবাদিক মাহমুদ হোসেন, বিশেষ অতিথি জেলা তথ্য অফিসের উপ-পরিচালক পরীক্ষিৎ চৌধুরী, সহকারী উপ-পরিচালক সাইফুদ্দিন আল মাদানী, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক প্রমুখ। প্রশিক্ষনে রিসোর্স পার্সন ছিলেন পিরোজপুর তথ্য অফিসের উপ-পরিচালক পরীক্ষিৎ চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তানজিলা কবির ত্রপা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ জিয়াউর রহমান, ও ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক কৃষিকর্মকর্তা জগৎ প্রিয় দাস। প্রশিক্ষনে জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত জেলার অধিকাংশ নবীন সাংবাদিক প্রশিক্ষণে অংশ নেন।
বিকালে প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া সাংবাদিকদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করেন প্রধান অতিথি পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ । এ সময় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী, দি চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি গাজী ওয়াহিদুজ্জামান লাভলু । বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে তথ্যের প্রবাহ যেমন বেড়েছে, তেমনি ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই একজন সাংবাদিকের দায়িত্ব শুধু তথ্য সংগ্রহ নয়, তথ্যের সত্যতা যাচাই করেও তা প্রকাশ করা। বক্তারা বলেন, এআই প্রযুক্তি সাংবাদিকতার নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিলেও এর ব্যবহার হতে হবে নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে। ফ্যাক্ট চেকিংয়ে দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে সাংবাদিকরা আরও নির্ভুল ও বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ পরিবেশন করতে পারবেন।