খাইরুল জানান, চোখের পলকে বাসটি তলিয়ে যাওয়ার সময় তিনি কীভাবে পানিতে পড়লেন, তার কাছেও এটি বিস্ময়কর। নদী সাঁতরে ডাঙায় ওঠার সঙ্গে সঙ্গে এক উদ্ধারকারী তার মোবাইল ছিনিয়ে নেন, যা আর ফেরত পাননি। মোবাইল হারালেও বেঁচে ফিরতে পেরে তিনি শুকরিয়া আদায় করছেন।
খাইরুল জানান, দুর্ঘটনার সময় তার পাশের আসনের যুবকসহ কমপক্ষে ৪০ জন নারী ও শিশু বাসে আটকা পড়েছিল। বাস চালক নিজেই গাড়ি চালাচ্ছিলেন। খাইরুল একজন টেক্সটাইল মিলের মেশিনম্যান, ঈদের ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন এবং কর্মস্থল ঢাকায় ফিরছিলেন।
তিনি বলেন, বাসটিতে তিনি বি-২ নম্বর সিটে ছিলেন। পাশের সিটের যুবক কিছুক্ষণ নেমে যাওয়ার পর ফিরে আসেন। খাইরুল তাকে বসতে দেওয়ার জন্য উঠে দাঁড়ান, ঠিক তখনই বাস ফেরিতে ওঠার চেষ্টা করছিল এবং হঠাৎ ঝাঁকুনি লাগলে তিনি দরজা দিয়ে ছিটকে নদীতে পড়ে যান।
ঘটনায় বাসচালক আরমান খানের লাশ উদ্ধার হলেও তার সহকারী ও সুপারভাইজার বেঁচে গেছেন। বুধবার (২৫ মার্চ) বেলা আড়াইটায় কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের (রাজবাড়ী ব ১১-০০২৪ নম্বর) বাসটি খোকসা বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছানোর পর খাইরুলসহ দুজন যাত্রী বাসে ওঠেন। বেলা ২টা ৪২ মিনিটে বাসটি খোকসা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে।