বার্তা সংস্থা তাসনিমের এক প্রতিবেদনে এই প্রসঙ্গে বেশ কিছু প্রশ্ন উত্থিত হয়, যেমন, এত সময় ও জটিলতা সম্পন্ন একটি অভিযান কিভাবে বাস্তবায়িত হলো—ইরানী ভূখণ্ডে প্রবেশ থেকে শুরু করে ট্র্যাকারের মাধ্যমে পাইলটকে খুঁজে পাওয়া, এরপর প্রযুক্তিগত ব্যর্থতার সম্মুখীন হওয়া এবং পুনরায় একটি মাধ্যমিক উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা?
এই পরিস্থিতি যৌক্তিকভাবে আরও বিশদ বিশ্লেষণ এবং আরও প্রমাণপত্রের দাবি রাখে।
ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা মার্কিন মিডিয়াতে উত্থাপিত হয়েছে এবং অস্পষ্টতাকে আরও বৃদ্ধি করছে, তা হলো এই পাইলটের অবস্থা। বলা হচ্ছে, তিনি গুরুতর আহত এবং বেঁচে থাকার সম্ভাবনা কম। অথচ প্রথম পাইলট যাকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে, তার কোনও স্পষ্ট ছবি বা নথি প্রকাশ করা হয়নি এবং তার ভাগ্যের বিষয়ে গুরুতর সন্দেহ রয়েছে।
দ্বিতীয় পাইলটের কথাও প্রশ্নের মুখে: যদি উদ্ধার অভিযান সত্যিই সফল হয়, তাহলে একই সময়ে কেন তার মৃত্যুর সম্ভাবনা আলোচনা করা হচ্ছে? সম্ভবত ভবিষ্যতে অফিসিয়াল বর্ণনা পরিবর্তিত হয়ে ‘উদ্ধার চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু পাইলট মারা গেছে’ এই দিকটি তুলে ধরবে, যা নিজেই গুরুতর সন্দেহের বিষয়।
তবে, ইরানের সরকারি বর্ণনা অনুযায়ী, মার্কিন অভিযান সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।
যদি আমরা মার্কিন বর্ণনাকে ভিত্তি হিসেবে ধরি, তবুও লক্ষ্যণীয় যে একটি বিশেষ অভিযান হেলিকপ্টার ইরানী ভূখণ্ডের মধ্যে প্রযুক্তিগত ত্রুটির সম্মুখীন হয়। এটি একা-একা সমর্থন এবং কার্যক্রম প্রস্তুতির ক্ষেত্রে গুরুতর সমস্যার ইঙ্গিত দেয়; এবং এ সময় বলা হয় যে অভিযানটি উপযুক্ত আবহাওয়ায় পরিচালিত হয়েছে। আরও তা হলো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে যে ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা দুর্বল হয়ে গেছে এবং এমন একটি অভিযান পরিচালনায় কোনও প্রতিবন্ধকতা নেই।