২০২১ থেকে ২০২৫ সময়কালে এককভাবে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যারা মোট রপ্তানির ৪২ শতাংশ সরবরাহ করেছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ফ্রান্স-এর রপ্তানি ১০ শতাংশ, যা যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেক কম। তৃতীয় স্থানে রয়েছে রাশিয়া, তাদের হিস্যা ৭ শতাংশ।
এরপর যৌথভাবে ৬ শতাংশ করে রপ্তানি নিয়ে চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে জার্মানি ও চীন। ষষ্ঠ স্থানে ইতালি (৫ শতাংশ), সপ্তমে ইসরায়েল (৪ শতাংশ), অষ্টমে যুক্তরাজ্য (৩ শতাংশ), নবমে দক্ষিণ কোরিয়া (৩ শতাংশ) এবং দশমে স্পেন (২ শতাংশ) অবস্থান করছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এগিয়ে থাকার প্রধান কারণ হলো বিশ্বব্যাপী সামরিক জোট, উন্নত প্রযুক্তির অস্ত্র এবং মিত্র দেশগুলোর ওপর তার কৌশলগত প্রভাব। ইউরোপসহ বিভিন্ন অঞ্চলে নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ায় মার্কিন অস্ত্রের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
অন্যদিকে সাম্প্রতিক সময়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে জার্মানি, যা চীনকে পেছনে ফেলে চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে। ইউরোপে প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় জার্মান অস্ত্রের চাহিদা বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
চীনও বৈশ্বিক বাজারে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। এশিয়া, আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যকে কেন্দ্র করে প্রতিযোগিতামূলক দামে অস্ত্র সরবরাহ, দ্রুত উৎপাদন এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে তারা নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, অস্ত্র রপ্তানি শুধু অর্থনৈতিক বিষয় নয়, বরং এটি আন্তর্জাতিক প্রভাব ও কূটনৈতিক সম্পর্ক বিস্তারের একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে।