বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অশ্লীল নৃত্যের ভিডিও তার নজরে এসেছে, যা তাকে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করেছে।
এমপি মোশাররফ হোসেন বলেন, বিভিন্ন বৈশাখী মেলা, স্কুলের বিদায় অনুষ্ঠান, জামাই মেলা, শ্রমিক দিবসসহ নানা সাংস্কৃতিক আয়োজনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তার নিজের ছবি সংবলিত পোস্টার ব্যবহার করা হচ্ছে। কিন্তু এসব অনুষ্ঠানের কিছু অংশে শালীনতার সীমা লঙ্ঘিত হচ্ছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি বলেন, “সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা সবার গণতান্ত্রিক অধিকার। তবে তা অবশ্যই হতে হবে শালীন, রুচিশীল এবং সামাজিক মূল্যবোধসম্মত। কোনোভাবেই অশ্লীলতা বা সমাজবিরোধী কার্যক্রমকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না।”
তরুণ সমাজের বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, মাদকাসক্তি ও নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে যুবসমাজ ইতোমধ্যেই নানা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। এর সঙ্গে অশ্লীল নৃত্য ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড যুক্ত হলে পরিস্থিতি আরও অবনতি ঘটতে পারে। বিশেষ করে রাজনৈতিক নেতাদের ছবি ব্যবহার করে এ ধরনের আয়োজন দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এমপি মোশাররফ হোসেন সতর্ক করে বলেন, ব্যক্তিস্বার্থে বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দল ও নেতাদের বিতর্কিত করার অপচেষ্টা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রশাসনের সব স্তরের কর্মকর্তাদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান, কোথাও এ ধরনের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হতে দেখলে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, এই ধরনের কড়া বার্তা সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং সাংস্কৃতিক আয়োজনকে আরও শালীন ও দায়িত্বশীল করে তুলতে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ভাবমূর্তি রক্ষায়ও এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।