অপটার এই একাদশে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেসের অন্তর্ভুক্তি ছিল সবচেয়ে সহজ। থিয়েরি অঁরি ও ডি ব্রুইনার রেকর্ড ভেঙে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ২১টি অ্যাসিস্ট করার পাশাপাশি তিনি রেকর্ডটি ১৩৬টি গোল করার সুযোগ তৈরি করেছেন।
আক্রমণভাগে সিটির হয়ে প্রথম মৌসুমেই ১২টি অ্যাসিস্ট করা ফরাসি তরুণ রায়ান চেরকি এবং ২৭ গোল করা আর্লিং হালান্ড জায়গা করে নিয়েছেন।
মাঝমাঠে চমক দেখিয়েছেন ইংলিশ মিডফিল্ডার এলিয়ট অ্যান্ডারসন। আর লিভারপুলের হয়ে দূরপাল্লার ফ্রি-কিক ও বৈচিত্র্যময় পজিশনে খেলে আলো ছড়িয়েছেন ডমিনিক সোবোসলাই।
ডিফেন্ডার:
ম্যাথিউস নুনেস (ম্যানচেস্টার সিটি), গ্যাব্রিয়েল মাগালাইস (আর্সেনাল), উইলিয়াম সালিবা (আর্সেনাল) ও আদ্রিয়েন ট্রুফার্ট (বোর্নমাউথ)।
মিডফিল্ডার:
ডেক্লান রাইস (আর্সেনাল), এলিয়ট অ্যান্ডারসন (নটিংহ্যাম ফরেস্ট) ও ডমিনিক সোবোসলাই (লিভারপুল)।
ফরোয়ার্ড:
রায়ান চেরকি (ম্যানচেস্টার সিটি), আর্লিং হলান্ড (ম্যানচেস্টার সিটি) ও ব্রুনো ফার্নান্দেস (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড)।