দুপুর পৌনে ১২টার দিকে হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন ও পরিবারের সদস্যরা তার কবর জিয়ারত করেন। জিয়ারত শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, গত ১৪ বছর ধরে আমরা নুহাশপল্লীতেই হুমায়ূন আহমেদের জন্মবার্ষিকী ও মৃত্যুবার্ষিকী পালন করছি। আমি না থাকলেও আমার সন্তানরা ও সহকর্মীরা এই আয়োজন চালিয়ে যাবে। সমাজ বা রাষ্ট্রের কাছে আমার কোনো চাওয়া নেই।
গাজীপুরের মনিপুর এলাকার বাসিন্দা শিলা বলেন, হুমায়ূন স্যারের বই আমার খুব প্রিয়। তাই ছেলেকে নিয়ে তাকে স্মরণ করতে নুহাশপল্লীতে এসেছি। এখানে সংরক্ষিত তার স্মৃতিগুলো দেখে মুগ্ধ হই। তার লেখা বইগুলোও এখানে এসে একবার হলেও হাতে নিয়ে দেখি।
ঢাকা থেকে আসা ‘হিমু পরিবহন’-এর সদস্য দীপ হালদার বলেন, আমরা প্রতি বছর হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকীতে নুহাশপল্লীতে এসে শ্রদ্ধা জানাই। তার সাহিত্য আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায়।
দিনব্যাপী কর্মসূচির শুরুতে কোরআনখানি, দোয়া ও স্মৃতিচারণা অনুষ্ঠিত হয়। পরে রচনা পাঠ এবং এতিমদের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়। এ সময় অনেক ভক্তকে হুমায়ূন আহমেদের জনপ্রিয় চরিত্র ‘হিমু’ ও ‘রূপা’র সাজে অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দেখা যায়।