রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নারায়ণগঞ্জসহ দেশের ১০টি জেলায় ১০ বেডের করে আইসিইও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ডেঙ্গুর সাথে যুদ্ধ করতে প্রস্তুত জানিয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, সারা দেশে ২০ টির মধ্যে ১৫শ’ বেডের দু’টি বিশেষায়িত হাসপাতাল হবে শুধু মেয়েদের জন্য। সেখানে কিডনি ডায়ালাইসিস, ব্রেস্ট ক্যান্সার, পঙ্গু ও ডেলিভারী তথা জেনারেল হাসপাতাল থাকবে।
এর আগে সকাল ৯টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সরকারি জেনারেল হাসপাতালে হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়ে চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি যাচাই করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। হাসপাতালে পৌঁছে বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখার পাশাপাশি চিকিৎসক, নার্স এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি যাচাই করেন।
হাসপাতালে প্রবেশের পর মন্ত্রী উপস্থিতির তালিকা হাতে নিয়ে চিকিৎসক, নার্স ও অন্য কর্মীদের নাম ধরে ডাকতে শুরু করেন। উপস্থিতি যাচাইয়ের সময় কয়েকজনের অনুপস্থিতি এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক অসংগতি তার নজরে আসে। এ সময় তিনি হাসপাতালের সেবার মান, পরিচ্ছন্নতা, রোগীদের চিকিৎসা কার্যক্রম এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনের বিষয়েও খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শনকালে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসঙ্গতি দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি সংশ্লিষ্টদের আরো দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশনা দেন ও সরকারি স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান।
স্বাস্থ ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ সেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজীব সহ অনেকে।