স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের বিভিন্ন সময়ে এবং রাতে দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎ না থাকায় পড়াশোনা, ব্যবসা-বাণিজ্য, সেচ কার্যক্রম ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। অটোরিকশা চার্জিং, দোকান পরিচালনা এবং ক্ষুদ্র শিল্পকারখানার কাজেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
এসময় কৃষক জানান, সময়মতো সেচ দিতে না পারায় সবজির ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অটোরিকশাচালক বলেন, বিদ্যুতের অভাবে গাড়ি চার্জ দিতে না পারায় আয় কমে গেছে। অন্যদিকে এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ অনেক শিক্ষার্থী রাতের লোডশেডিংয়ে পড়াশোনা করতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেছেন।
সোনারগাঁ পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তর, হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং শিল্পাঞ্চল থাকলেও দীর্ঘ লোডশেডিংয়ে সেবার মানও ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের। তাদের প্রশ্ন, দেশের অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও সোনারগাঁ কেন বারবার অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের শিকার হচ্ছে।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর সোনারগাঁ জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক খোরশেদ আলম বলেন, জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হলে অতিদ্রুতই পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।