এ কর্মসূচির আওতায় অংশগ্রহণকারীদের মোবাইল ফোন মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করা হবে। এর মাধ্যমে তরুণরা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি দেশের ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল অর্থনীতিতে টেকসই জীবিকা গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন।
বাংলাদেশে বর্তমানে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৮ কোটি ৭০ লাখের বেশি। একই সঙ্গে প্রায় ৭৫ শতাংশ পরিবারের কাছে রয়েছে স্মার্টফোন। এ প্রেক্ষাপটে মোবাইল ফোন মেরামত খাতে আয় ও কর্মসংস্থানের উল্লেখযোগ্য সুযোগ তৈরি হয়েছে। মেটলাইফ ফাউন্ডেশনের এ উদ্যোগের লক্ষ্য তরুণদের মধ্যে প্রয়োজনীয় দক্ষতা গড়ে তোলা এবং এসব সম্ভাবনাময় কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে তাদেরকে যুক্ত করা।
বাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচিতে সহায়তার মাধ্যমে দেশে আর্থিক সক্ষমতা বাড়ানোর ও টেকসই উন্নয়নের যে প্রতিশ্রুতি মেটলাইফ ফাউন্ডেশনের রয়েছে, এ উদ্যোগ তারই অংশ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেটলাইফ বাংলাদেশের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আলা আহমদ বলেন, “আর্থিক নিরাপত্তার ভিত্তি তৈরি হয় অর্থনৈতিক সুযোগের মাধ্যমে। মাইডাসের সঙ্গে এই পার্টনারশিপ তরুণদের মধ্যে ব্যবহারিক ও বাজার–চাহিদা সম্পন্ন দক্ষতা গড়ে তোলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তাদের সম্ভাবনায় বিনিয়োগের মাধ্যমে মেটলাইফ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশে টেকসই আয়ের সুযোগ, উদ্যোক্তাবান্ধব পরিবেশ এবং দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা গড়ে তুলতে সহায়তা করছে।”
মাইডাসের চেয়ারম্যান পারভীন মাহমুদ বলেন, “এ ধরনের অর্থবহ উদ্যোগে মেটলাইফ ফাউন্ডেশনের পার্টনার হিসেবে কাজ করতে পেরে আমরা গর্বিত। স্থানীয় পর্যায়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা ও বৈশ্বিক সহায়তার সমন্বয়ে আমরা তরুণদের মধ্যে এমন দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে পারব, যা এখনকার অর্থনীতিতে সফল হওয়ার জন্য জরুরী। এ ধরণের কর্মসূচি শুধু কর্মসংস্থানের সুযোগই তৈরি করবে না, বরং বাংলাদেশে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উদ্যোক্তা বান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতেও ভূমিকা রাখবে।”
১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত মাইডাস দেশের অন্যতম শীর্ষ বেসরকারি খাত উন্নয়ন সংস্থা। ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে। কারিগরি সহায়তা, অর্থায়ন এবং সক্ষমতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন সেবার মাধ্যমে মাইডাস বাংলাদেশে নতুন উদ্যোক্তা ও কর্মসংস্থান তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
বাংলাদেশে ব্যক্তি ও পরিবার পর্যায়ে আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে মেটলাইফ ফাউন্ডেশন। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে সংস্থাটি অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি এবং আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই সমাজ গড়ে তোলার প্রতি তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।